জোড়া তালি দিয়ে সংস্কার দোকানরঘর-হরিণা সড়ক

May 11, 2025 - 11:42
 0  6
জোড়া তালি দিয়ে সংস্কার দোকানরঘর-হরিণা সড়ক

চাঁদপুর সদর উপজেলার নানুপুর চৌরাস্তা থেকে হরিণা ফেরিঘাট এলাকার চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক গত কয়েকবছর খুবই বেহাল অবস্থায়। এরই মাঝে ছোটখাট সংস্কার কাজ হলেও সড়কটি চলাচলে অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠে।

সর্বশেষ গত এপ্রিল মাসে এই সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করে সড়ক বিভাগ চাঁদপুর। কিন্তু কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ কোন রকম জোড়া তালি দিয়ে সড়কটির একাংশ সংস্কার হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দোকানঘর থেকে হরিণা ফেরিঘাট চৌরাস্তা পর্যন্ত হাইমচর উপজেলার বাসিন্দাদের জেলা সদরে আসার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এটি। অন্য সড়ক দিয়ে আসার ব্যবস্থা থাকলেও সময় ও অর্থ কম ব্যয় হয় এই সড়কে। গত এপ্রিল মাসে এই সড়কের দোকানঘর থেকে বহরিয়া বাজার পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সংস্কার কাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে এক কিলোমিটার কাজের কোনরকম কার্পেটিং হয়েছে। কিন্তু সড়কটির উঁচু-নীচু (ওয়েব) অবস্থার কোন উন্নতি হয়নি।

বহরিয়া এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন ও মো. হাসান বলেন, সড়ক বিভাগ কাজ শুরু করার সময়ই সুবিধার মনে হয়নি। আমাদের কথার কেউ পাত্তা দেয় না। সড়কের গর্তগুলো আগের মতই রয়েছে। এই সড়কে ভারি যানবাহন চলাচল করে গত প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর রাস্তা উচু-নীচু হয়ে আছে। যানবাহন খুবই ধীর গতিতে চলে। রাতের বেলায় আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠে।

একাধিক যানাবহন চালক জানালেন, এই সড়কের দুর্ভোগের কথা। তারা বলেন, এই সড়কে যানবাহন ও মালামাল নিয়ে কাত হয়ে এবং ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়। সড়কটি সমান করে নির্মাণ না করলে এই দুর্ভোগ কমবে না। এমন পরিস্থিতিতে সড়কের সংস্কার করে কোন লভা হবে না। সরকারের টাকা অপচয় হবে।

এই সড়কের দায়িত্বে রয়েছেন সড়ক বিভাগ চাঁদপুরের (সড়ক শাখা-২) এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, আপাতত আমরা সড়কটির সংস্কার কাজ করছি। দোকানঘর থেকে বহরিয়া বাজার পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজ করা হচ্ছে। এর জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৪৫ লাখ টাকা। বরাদ্দ অনুসারে এখন কাজ হচ্ছে। মতলবের জাকির নামে ঠিকাদার এই নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছেন।

জোড়া তালি দিয়ে এবং উচু নীচু ঠিক না করে সংস্কার করা হচ্ছে এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নানুপুর থেকে হরিণা পর্যন্ত দশ কিলোমিটারের অধিক সড়ক নির্মাণের জন্য ১৮ কোটি টাকার প্রকল্প দেয়া আছে। অনুমোদন হলে পুরো সড়কটি নির্মাণ হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১১ মে ২০২৫

What's Your Reaction?

Like Like 0
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Angry Angry 0
Sad Sad 0
Wow Wow 0